২০১৯ সালের মে মাসে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হয়। জাতিসংঘ, আঞ্চলিক দেশসমূহ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার অংশগ্রহণে বিষয়টি আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।
২০১৭ সালের সহিংসতার পর মিয়ানমার থেকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী পালিয়ে এসে কক্সবাজার-এ আশ্রয় নেয়।
এরপর থেকে তাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনই মূল আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় প্রধান বাধাগুলো হলো—
শেখ হাসিনা বারবার উল্লেখ করেন যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনই একমাত্র গ্রহণযোগ্য সমাধান।
সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানায়।
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দেয়।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে ২০১৯ সালের মে মাসে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার হলেও বাস্তব অগ্রগতি সীমিত ছিল। তবে আন্তর্জাতিক চাপ ও আলোচনা ভবিষ্যতে সমাধানের পথ খুলতে পারে—এমন আশাই বহাল থাকে বাংলাদেশ-এর কূটনৈতিক অঙ্গনে।