১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। নিচে বিষয়টি read more
🏛️ সরকারের অবস্থান: সংস্কার আগে, নির্বাচন পরে নভেম্বর ২০২৪-এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (যার নেতৃত্বে ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস) স্পষ্টভাবে জানায় যে— 👉 প্রথমে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, পরে নির্বাচন—এই নীতিতেই তারা এগোবে। সরকারের প্রধান
জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে থাকে। প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। ⚡
অক্টোবর ২০১৮-তে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোরালোভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি তোলে। তাদের প্রধান অভিযোগ ছিল, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে
প্রেক্ষাপট ২০১৮ সালের শেষ দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে থাকে। প্রধানত ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী জোটের মধ্যে নিরপেক্ষ
🏛️ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ২০১৮ সালের জানুয়ারির শেষ দিকে এসে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে নির্বাচনমুখী হতে শুরু করে। যদিও তখনো আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়নি, তবুও ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র