🏛️ সরকারের অবস্থান: সংস্কার আগে, নির্বাচন পরে
নভেম্বর ২০২৪-এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (যার নেতৃত্বে ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস) স্পষ্টভাবে জানায় যে—
👉 প্রথমে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, পরে নির্বাচন—এই নীতিতেই তারা এগোবে।
সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো ছিল:
সরকারি সূত্রে বলা হয়, একটি “টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা” গড়ে তুলতে সময় প্রয়োজন, তাই তাৎক্ষণিক নির্বাচনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি
এছাড়া নভেম্বর মাসেই একটি বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা ও কার্যক্রম সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়
⚖️ বিরোধী দলের অবস্থান: দ্রুত নির্বাচন চাই
অন্যদিকে প্রধান বিরোধী শক্তি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও অন্যান্য দল সরকারের এই অবস্থানের বিরোধিতা করে।
তাদের প্রধান দাবি ছিল:
বিরোধী নেতারা অভিযোগ করেন,
👉 “সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্ব করা হচ্ছে”
👉 “জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা গণতান্ত্রিক নয়”
⚡ রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘর্ষ
নভেম্বরজুড়ে বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়।
এতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অস্থির হয়ে ওঠে।