বাংলাদেশ-এ COVID-19 সংক্রমণ মে মাসজুড়ে দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়, যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল রাজধানী ঢাকা এবং আশপাশের শিল্পাঞ্চল।
স্বাস্থ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের মোট আক্রান্তের বড় অংশই ঢাকাকেন্দ্রিক। জনসংখ্যার ঘনত্ব, ব্যস্ত নগরজীবন এবং সীমিত সামাজিক দূরত্বের কারণে ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে পুরান ঢাকা ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সংক্রমণের হার বেশি ছিল।
ঢাকার বাইরে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। তৈরি পোশাক কারখানা ও অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে চালু থাকায় হাজার হাজার শ্রমিক একসঙ্গে কর্মস্থলে যোগ দেন, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের যাতায়াত, কারখানার ভেতরে ঘন পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ না করার ফলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত শ্রমিকদের শনাক্ত ও আইসোলেশন নিশ্চিত করাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
এদিকে, লকডাউন শিথিল হওয়ার পর রাজধানীতে মানুষের চলাচল বেড়ে যায়।