করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার কঠোর লকডাউন ঘোষণা করার পর দেশের নিম্ন আয়ের মানুষ—যেমন দিনমজুর, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিকরা—চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে।
💼 আয় বন্ধ হয়ে যাওয়া
লকডাউনের কারণে রাস্তাঘাট ও বাজার কার্যক্রম সীমিত হয়ে যায়
দিনমজুর, ভ্যানচালক, নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ বন্ধ হয়ে যায়
অনেক পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে
🍲 খাদ্য সংকট ও দৈনন্দিন জীবন
দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো খাদ্য সংকটে পড়ে
অনেক পরিবারকে সঞ্চয় ভেঙে বা ঋণ নিয়ে চলতে হয়
শহর ও গ্রামে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা আরও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে
🚶 কাজের সন্ধানে ঝুঁকি নিয়ে বাইরে যাওয়া
কঠোর বিধিনিষেধ সত্ত্বেও অনেক শ্রমজীবী মানুষ জীবিকার সন্ধানে বাইরে বের হন
সংক্রমণের ঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে কাজ খুঁজতে হয়
📉 আয় ও দারিদ্র্যের চাপ বৃদ্ধি
বহু মানুষ আয়ের বড় অংশ বা পুরোটা হারিয়ে ফেলে
নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নামার ঝুঁকি তৈরি হয়
নগর দরিদ্রদের অবস্থা গ্রামীণ দরিদ্রদের তুলনায় বেশি খারাপ হয়
🏛️ সরকারের সহায়তা কার্যক্রম
ত্রাণ বিতরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়ানো হয়
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নগদ সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়
তবে অনেক ক্ষেত্রে সহায়তা পর্যাপ্ত ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে