• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
/ দেশজুড়ে
বাংলাদেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। জ্বালানি ঘাটতি ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যায়, ফলে দেশজুড়ে লোডশেডিং শুরু হয়। অনেক এলাকায় দিনে কয়েকবার বিদ্যুৎ চলে যেত কোথাও read more
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় সরকার দেশব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধ (সর্বাত্মক লকডাউন) জারি করে। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। 🚫 গণপরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ সড়ক,
করোনাভাইরাস মহামারির অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধ ও সামাজিক সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যায় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। 🔴 ১. পারিবারিক ও সামাজিক
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার কঠোর লকডাউন ঘোষণা করার পর দেশের নিম্ন আয়ের মানুষ—যেমন দিনমজুর, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিকরা—চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। 💼 আয় বন্ধ হয়ে যাওয়া লকডাউনের কারণে রাস্তাঘাট ও বাজার কার্যক্রম সীমিত হয়ে যায় দিনমজুর, ভ্যানচালক, নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ বন্ধ হয়ে যায় অনেক পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে 🍲 খাদ্য সংকট ও দৈনন্দিন জীবন দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো খাদ্য সংকটে পড়ে অনেক পরিবারকে সঞ্চয় ভেঙে বা ঋণ নিয়ে চলতে হয় শহর ও গ্রামে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা আরও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে 🚶 কাজের সন্ধানে ঝুঁকি নিয়ে বাইরে যাওয়া কঠোর বিধিনিষেধ সত্ত্বেও অনেক শ্রমজীবী মানুষ জীবিকার সন্ধানে বাইরে বের হন সংক্রমণের ঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে কাজ খুঁজতে হয় 📉 আয় ও দারিদ্র্যের চাপ বৃদ্ধি বহু মানুষ আয়ের বড় অংশ বা পুরোটা হারিয়ে ফেলে নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নামার ঝুঁকি তৈরি হয় নগর দরিদ্রদের অবস্থা গ্রামীণ দরিদ্রদের তুলনায় বেশি খারাপ হয় 🏛️ সরকারের সহায়তা কার্যক্রম ত্রাণ বিতরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়ানো হয় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নগদ সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয় তবে অনেক ক্ষেত্রে সহায়তা পর্যাপ্ত ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে ⚠️ সামাজিক ও মানসিক প্রভাব অনিশ্চিত আয়ের কারণে পরিবারগুলো মানসিক চাপে পড়ে অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন জীবনধারণ নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশা বাড়ে
দেশে COVID-19 সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার সারাদেশে একযোগে কঠোর লকডাউন না দিয়ে জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক স্থানীয় লকডাউন (localized lockdown) ব্যবস্থা গ্রহণ করে। 📍 কোথায় কোথায় লকডাউন দেওয়া হয়েছিল সরকার
ঢাকা, ১৭ মার্চ ২০২১:জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান-এর ১০১তম জন্মবার্ষিকী এবং মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। 🎉 রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের আয়োজন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন
বাংলাদেশ-এ COVID-19 সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর প্রতি ঘরে থাকার জোরালো আহ্বান জানান। সরকারি একাধিক বক্তব্য ও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হওয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
Bangladesh-এ COVID-19 মহামারীর প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সরকার জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা এবং দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি (লকডাউন সদৃশ ব্যবস্থা) চালু
নভেম্বর ২০১৯:বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় বুলবুল, যা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তার পরপরই সরকার ও প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
bdit.com.bd