১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। নিচে বিষয়টি read more
🏛️ সরকারের অবস্থান: সংস্কার আগে, নির্বাচন পরে নভেম্বর ২০২৪-এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (যার নেতৃত্বে ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস) স্পষ্টভাবে জানায় যে— 👉 প্রথমে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, পরে নির্বাচন—এই নীতিতেই তারা এগোবে। সরকারের প্রধান
জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে থাকে। প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। ⚡
বাংলাদেশের Election Commission Bangladesh (ইসি) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যার দায়িত্ব হলো— জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য ভোট নিশ্চিত করা ২০২২ সালে পূর্ববর্তী কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন
সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা অধিকাংশ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেন। অনেক ইউনিয়নে দলীয় মনোনীত প্রার্থীরা সরাসরি জয়ী হন কিছু জায়গায়
অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ-এর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন স্থানে ভোটকেন্দ্র দখল ও গোলাগুলির অভিযোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। নিচে ঘটনাগুলো বিস্তারিতভাবে নিউজ আকারে তুলে ধরা হলো: 🗳️ নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা চরমে
🔹 ১ম ধাপ তারিখ: ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ পৌরসভা সংখ্যা: ২৫টি এই ধাপের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয় 🔹 ২য় ধাপ তারিখ: ১৬ জানুয়ারি ২০২১ পৌরসভা সংখ্যা: ৬০টি কিছু স্থানে ইভিএম
অক্টোবর ২০১৮-তে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোরালোভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি তোলে। তাদের প্রধান অভিযোগ ছিল, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে