এপ্রিল ২০১৯-এ বাংলাদেশ-জুড়ে আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। মামলাটিকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র জনরোষ ও ন্যায়বিচারের দাবি অব্যাহত রয়েছে।
গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজীর একটি মাদ্রাসায় পরীক্ষার দিনে নুসরাতকে ছাদে ডেকে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা-এর বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়। এরপরই মামলা নতুন মোড় নেয় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত অভিযান শুরু করে।
বাংলাদেশ পুলিশ এবং পিবিআই যৌথ তদন্তে একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তে উঠে আসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছিল।
দেশজুড়ে মানববন্ধন, প্রতিবাদ ও সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শেখ হাসিনা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
নুসরাত হত্যা মামলা বাংলাদেশ-এ নারী নিরাপত্তা, বিচার ব্যবস্থা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তদন্তের অগ্রগতি জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করলেও, ন্যায়বিচারের পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো প্রধান প্রত্যাশা।