উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ,“ঘূর্ণিঝড় আম্পান”,“Cyclone Amphan 2020”]। এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়।
খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন উপকূলীয় জেলায় হাজার হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়ে। অনেক স্থানে নদীর বাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানি ঢুকে কৃষিজমির মারাত্মক ক্ষতি করে।
দুর্যোগের আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রশাসন ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়। ঝড় আঘাত হানার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠায় অসংখ্য মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য হয়।
এই সময়ে entity[“disease”,“COVID-19”,“coronavirus disease 2019”] মহামারি চলমান থাকায় আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তবুও প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীরা স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টা চালিয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে যায়। অনেক পরিবার খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়ে। সরকার দ্রুত ত্রাণ সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করে।