বাংলাদেশ-এ COVID-19 মহামারি তীব্র আকার ধারণ করায় স্বাস্থ্যখাতে চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এর ফলে চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় চিকিৎসকদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী (PPE) না থাকায় তারা সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগীদের নিবিড় সংস্পর্শে কাজ করার কারণে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ছিলেন। এছাড়া শুরুতে সংক্রমণ শনাক্তকরণ ও আলাদা ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণেও হাসপাতালভিত্তিক সংক্রমণ (hospital transmission) বাড়তে থাকে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর তথ্যমতে, জুন মাসে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হন, যা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও চাপে ফেলে। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ায় চিকিৎসক সংকটও তৈরি হয়।
এ পরিস্থিতিতে সরকার স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য সুরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ বৃদ্ধি, আলাদা করোনা ইউনিট স্থাপন এবং প্রশিক্ষণ জোরদারের উদ্যোগ নেয়। তবুও দ্রুত সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।