মহামারির কারণে দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক স্থবিরতা তৈরি হলে সরকার ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কার্যক্রম কার্যকর ও বিস্তৃতভাবে চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়।
সরকারি নীতিনির্ধারকরা জানান, দেশের শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সেবা খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার ফলে উৎপাদন কমে যাওয়া, কর্মসংস্থান হ্রাস এবং ব্যবসায়িক ক্ষতি মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী “শেখ হাসিনা”, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, যেন অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালুর পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। কর্মক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
এর আওতায় শিল্পকারখানা, অফিস-আদালত, বাজার ও পরিবহন খাত ধাপে ধাপে চালু করা হয়। এতে করে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং অনেক মানুষ আবার কাজে ফিরতে সক্ষম হন।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণ ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।