মহামারি মোকাবিলায় সরকার ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য বিস্তৃত পরিকল্পনা গ্রহণ শুরু করে।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো হয়, যাতে দ্রুত কার্যকর ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। সম্ভাব্য ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে অগ্রিম চুক্তি ও সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী “শেখ হাসিনা”,সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে কোল্ড চেইন (শীতল সংরক্ষণ ব্যবস্থা) গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ভ্যাকসিন বিতরণে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে, যাতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভ্যাকসিন সংগ্রহের পাশাপাশি সঠিক বিতরণ ও জনসচেতনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের মধ্যে ভ্যাকসিন সম্পর্কে আস্থা তৈরি করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়।