• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

কোভিড-19 এর জন্য বাংলাদেশ সরকার বিমানবন্দরে সতর্কতা বৃদ্ধি করে ।

শামিমা ইসলাম / ২৯২ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২০

২০২০ সালের জানুয়ারিতে যখন COVID-19 বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে, তখন Bangladesh সরকারও দ্রুত বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কতা বাড়ায়। মূল লক্ষ্য ছিল বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে সংক্রমণ ঠেকানো।

নিচে বিভিন্ন ব্যবস্থা ও নিয়োগ (deployment) বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো—

🔹 স্বাস্থ্যকর্মী ও জনবল নিয়োগ

  • বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হয়।
  • বিশেষ করে Institute of Epidemiology Disease Control and Research-এর টিম মোতায়েন করা হয়।
  • স্বাস্থ্য ডেস্কে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালনের জন্য শিফটভিত্তিক জনবল বাড়ানো হয়।

🔹 স্ক্রিনিং ও পরীক্ষা ব্যবস্থা

  • থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়, যাতে যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা যায়।
  • বিদেশফেরত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়।
  • সন্দেহভাজনদের আলাদা করে পর্যবেক্ষণে রাখা হতো।

🔹 কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন প্রস্তুতি

  • যাত্রীদের জন্য কোয়ারেন্টাইন নির্দেশনা দেওয়া হয়, বিশেষ করে চীনসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে এলে।
  • প্রয়োজন হলে আইসোলেশন ইউনিটে পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়।

🔹 বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা বাহিনী

  • Civil Aviation Authority of Bangladesh অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টন করে।
  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়, যাতে যাত্রীরা নিয়ম মেনে চলে।

🔹 সচেতনতা ও নির্দেশনা

  • বিমানবন্দরে মাইকিং, পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো হয়।
  • যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd