
২০২০ সালের জানুয়ারিতে যখন COVID-19 বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে, তখন Bangladesh সরকারও দ্রুত বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কতা বাড়ায়। মূল লক্ষ্য ছিল বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে সংক্রমণ ঠেকানো।
নিচে বিভিন্ন ব্যবস্থা ও নিয়োগ (deployment) বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো—
🔹 স্বাস্থ্যকর্মী ও জনবল নিয়োগ
- বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হয়।
- বিশেষ করে Institute of Epidemiology Disease Control and Research-এর টিম মোতায়েন করা হয়।
- স্বাস্থ্য ডেস্কে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালনের জন্য শিফটভিত্তিক জনবল বাড়ানো হয়।
🔹 স্ক্রিনিং ও পরীক্ষা ব্যবস্থা
- থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়, যাতে যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা যায়।
- বিদেশফেরত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়।
- সন্দেহভাজনদের আলাদা করে পর্যবেক্ষণে রাখা হতো।
🔹 কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন প্রস্তুতি
- যাত্রীদের জন্য কোয়ারেন্টাইন নির্দেশনা দেওয়া হয়, বিশেষ করে চীনসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে এলে।
- প্রয়োজন হলে আইসোলেশন ইউনিটে পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়।
🔹 বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা বাহিনী
- Civil Aviation Authority of Bangladesh অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টন করে।
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়, যাতে যাত্রীরা নিয়ম মেনে চলে।
🔹 সচেতনতা ও নির্দেশনা
- বিমানবন্দরে মাইকিং, পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো হয়।
- যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলা হয়।