সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য কোয়ারান্টাইন ব্যবস্থা আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশ থেকে দেশে ফেরা সকল যাত্রীকে বাধ্যতামূলকভাবে নির্দিষ্ট সময় কোয়ারান্টাইনে থাকতে বলা হয়। হোম কোয়ারান্টাইনের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইনের ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশফেরত যাত্রীদের মাধ্যমে নতুন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল বেশি। তাই বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে স্ক্রিনিং, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়।
“স্বাস্থ্য অধিদপ্তর”,“Directorate General of Health Services Bangladesh”] এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে কোয়ারান্টাইন কার্যক্রম তদারকি করতে থাকে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়।
এদিকে, কোয়ারান্টাইন ব্যবস্থাপনায় কিছু চ্যালেঞ্জও সামনে আসে। অনেক যাত্রী নিয়ম ঠিকভাবে মানছেন না—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়, ফলে স্থানীয় প্রশাসন নজরদারি আরও বাড়ায়।