মহামারির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সরকার অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাসের পরিধি বাড়ানো হয়। বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পাঠদান চালু রাখা হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।
এছাড়া, ইন্টারনেট সুবিধা সীমিত এমন শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে টেলিভিশনের মাধ্যমেও পাঠদান সম্প্রসারণ করা হয়। সংসদ টিভির মাধ্যমে নিয়মিত ক্লাস সম্প্রচার চালিয়ে যাওয়া হয়, যা সারা দেশে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে সচল রাখতে এটি একটি জরুরি বিকল্প ব্যবস্থা ছিল। শিক্ষকদেরও অনলাইন ক্লাস পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির ওপর গুরুত্ব বাড়ানো হয়।
তবে, অনেক শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ও ডিভাইস সংকটের কারণে এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—এমন অভিযোগও উঠে। ফলে শিক্ষা বৈষম্য বাড়ার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা।